আজ মঙ্গলবার জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস। এ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি গঠনে অবদান রাখতে পারবে। এজন্য জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাণে চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলী, নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক, দর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান ।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ৩ এপ্রিল একটি স্মরণীয় দিন। ১৯৫৭ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন বিল উত্থাপন করেন। বিলটি আইনে পরিণত হয়ে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।’
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দিনটিকে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ঘোষণা করে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দিবসটি উদযাপনের ফলে দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের আরও উন্নয়ন ঘটবে, নির্মিত হবে জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র।
তিনি বলেন, তাই জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মল বিনোদনের পাশাপাশি সমাজ উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অপরদিকে, অশ্লীল ও নিম্ন রুচির চলচ্চিত্র যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ঘটানোসহ সমাজে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে নির্মাতাসহ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসে তিনি প্রত্যাশা করেন যে, মানবিক সমাজ গঠনের পাশাপাশি চলচ্চিত্র হয়ে উঠুক অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। খবর বাসস।