মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা মহিলা বিষয়ক অধিদফতর নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ২০১১ সালে ‘নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রয়াস’ নামে সরকারের অর্থায়নে ৩ বছর মেয়াদি একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করে। ওই কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য বিপণনের জন্য ‘জয়িতা’ নামে একটি বিপণন কেন্দ্র চালু করা হয়। পরবর্তী সময়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি স্থায়ী ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘জয়িতা ফাউন্ডেশন’ গড়ে তোলা হয়।
সূত্র জানায়, এটি বাংলাদেশ সরকারের নৈতিক ও আর্থিক সহায়তাপুষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় নারীদের বিভিন্নমুখী ব্যবসা উদ্যোগে সম্পৃক্ততার জন্য উৎসাহ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করে। আত্মপ্রত্যয়ী ও অদম্য নারীরা জয়িতা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় ব্যবসার মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান করতে পারে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১৫৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য প্রকল্পটি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় জয়িতা ফাউন্ডেশন ও গণপূর্ত অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে। বরাদ্দের পুরো অর্থই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে। প্রকল্পটি ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
এ প্রকল্পের আওতায় টাওয়ার ভবন ছাড়াও প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ রাস্তা, সাইট অফিস, ড্রেন, সীমানা দেয়াল, সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ সরকারের নৈতিক ও আর্থিক সহায়তাপুষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় নারীদের বিভিন্নমুখী ব্যবসা উদ্যোগে সম্পৃক্ততার জন্য উৎসাহ ও প্রয়োজনীয় সহায়তাদানের মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করে। এর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এ টাওয়ার।’