প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানানো হয়।
এসময় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস। তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। পাঠ্য বইয়ে ধর্ষণ ও নৈতিক শিক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শুধু দুশ্চরিত্র মানুষই ধর্ষণ করে না, অনেক সময় ভালো মানুষের মুখোশধারী ব্যক্তিদের মাধ্যমেও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অনেক সময় রাজনৈতিক কারণেও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে, এখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, যাতে কোনও ধর্ষক পার পেয়ে না যায়।’
এসময় সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, ‘বর্তমান নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে যেন বাংলাদেশ একাত্তরে ফিরে গেছে। একাত্তরে পাকিস্তানিরা যেমন নারীদের অপমানের বস্তু হিসেবে ব্যবহার করেছিল, বর্তমানে নতুন করে সাম্প্রদায়িক শক্তি সেই কাজই শুরু করেছে। দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ থাকলেও ধর্ষণের ঘটনা এখনও বন্ধ হয়নি। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
এসময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সালমা আহমেদ বলেন, ‘ধর্ষণ শুধু একটি ব্যাধি নয়, এটি একটি অপরাধ। যারা এ কাজ করে তাদের জন্য কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।’
প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফা রহমান রুমা, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সহসভাপতি ডা. মাহবুবুর রহমান, প্রজন্ম একাত্তর এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ রেজা নূর প্রমুখ।