পরে খসড়া আইনটি নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হবে।
গত ২৯ জানুয়ারি খসড়া আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। সমালোচিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা তথ্যপ্রযুক্তি আইন থেকে সরিয়ে সেগুলো আরও বিশদ আকারে যুক্ত করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হচ্ছে।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও ডিজিটাল অপরাধসমূহ প্রতিকার, প্রতিরোধ, দমন, শনাক্তকরণ, তদন্ত বিচার ইত্যাদি কারণে বিলটি অপরিহার্য।