রাষ্ট্রপতি পহেলা বৈশাখ ১৪২৫ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
শনিবার বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ সনের শুরু। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হয়ে নতুন বছরে সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে আশা করে তিনি বলেন, ‘অতীতের সব গ্লানি ও বিভেদ ভুলে বাংলা নববর্ষ জাতীয় জীবনের সবক্ষেত্রে আমাদের ঐক্যকে আরও সুসংহত করবে। সব অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও সুন্দরের জয় হোক। বাংলা নববর্ষ সবার জন্য আনন্দের বার্তা বয়ে আনুক এ প্রত্যাশা করি।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আবহমানকাল থেকে বাংলা নববর্ষ বাঙালি ঐতিহ্যে লালিত সর্বজনীন উৎসব। দিনটি সবাইকে প্রবলভাবে আপ্লুত করে এবং পুরাতনকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে চলার প্রেরণা যোগায়। দেশজুড়ে চৈত্রসংক্রান্তি ও বৈশাখি মেলা উদযাপন দেশীয় সংস্কৃতির প্রসারেও অনবদ্য ভূমিকা রাখে।’
প্রবাসী বাঙালিরাও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় নববর্ষ পালন করেন, যা এই উৎসবের আন্তর্জাতিকতাকে তুলে ধরে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষি, ব্যবসা, পার্বণসহ পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে বাংলা সনের ব্যবহার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বাঙালির জীবনে বাংলা নববর্ষের আবেদন তাই চিরন্তন ও সর্বজনীন।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, আজ তা সাল গণনার সীমা ছাড়িয়ে সর্বজনীন জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা মানবসভ্যতার প্রতিনিধিত্বশীল সংস্কৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে, যা আজ জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ।
তিনি বলেন, ‘এ স্বীকৃতি আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার পাশাপাশি জাতি হিসেবে আমাদের অসাম্প্রদায়িক অবস্থানকে আরও সমুন্নত করবে। ‘
প্রবাসী বাঙালিরাও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় নববর্ষ পালন করেন, যা এই উৎসবের আন্তর্জাতিকতাকে তুলে ধরে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমাদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষি, ব্যবসা, পার্বণসহ পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে বাংলা সনের ব্যবহার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বাঙালির জীবনে বাংলা নববর্ষের আবেদন তাই চিরন্তন ও সর্বজনীন।’
সূত্র: বাসস