৩০ এপ্রিলের মধ্যে টিআর, কাবিখা ও ইজিপিপির কাজ শেষ করার নির্দেশ

 

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১৩ জেলার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিচ্ছেন ত্রাণ সচিব শাহ কামাল

সরকারের টিআর (টেস্ট রিলিফ), কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি), সোলার প্যানেল, ইজিপিপির (অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি) প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত ৩০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করতে দেশের ১৩ জেলা প্রশাসকের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল। রবিবার (১৫ এপ্রিল) দেশের ১৩ জেলা প্রশাসক, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ নির্দেশ দেন তিনি।

জেলাগুলো হলো—গোপালগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, ঝালকাঠি, ভোলা, বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, নড়াইল, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ ও কুমিল্লা। যেসব উপজেলার প্রকল্পের তালিকা এখনও পাওয়া যায়নি সেসব উপজেলায় জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে দ্রুত প্রকল্প তালিকা প্রস্তুতপূর্বক কাজ শুরু করারও নির্দেশ দিয়েছেন ত্রাণ সচিব।

কনফারেন্সে ত্রাণ সচিব আসন্ন দুর্যোগ মৌসুমে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পূর্ব-প্রস্তুতি, ত্রাণসামগ্রী রিজার্ভের অবস্থা, সাইক্লোন সেল্টারের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চান।

এ সময় সচিব দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া উপজেলা পর্যায়ে বাস্তবায়িত টিআর, কাবিখা, সোলার প্যানেল, ইজিপিপি, ব্রিজ-কালভার্ট, এইচবিবিসহ বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বাস্তবায়ন অগ্রগতির খোঁজ-খবর নেন।

জেলা প্রশাসকদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পর্যায়ে বরাদ্দ হওয়া ঢেউটিন সাধারণভাবে বরাদ্দ না দিয়ে শুধু দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দিতে অনুরোধ করেন শাহ কামাল। এ বছর কালবৈশাখী, বজ্রপাত ও টর্নেডোর আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকদের পূর্ব প্রস্তুতি ও জনসচেতনতার উদ্যোগ নিতে বলেন। গত বছরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেরামতের পরামর্শ দেন সচিব। এইচবিবি প্রকল্পের রাস্তা এক মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দুর্যোগ মৌসুমকে সামনে রেখে দ্রুত জেলা উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়ার জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

উল্লেখ্য, পর্যায়ক্রমে সব জেলার সঙ্গে এ ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে।