তিনি বলেন, ‘একটি ইমপরটেন্ট পত্রিকায় দেখলাম রাজীবের দুর্ঘটনার জন্য সড়ক ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করা হয়েছে। এটা কীভাবে সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত? কোটা আন্দোলনের সময় যেমন ভিসির বাড়িতে হামলা হয়েছে এ ঘটনাও তেমন। ভিসি তো কোনোভাবেই কোটার সঙ্গে জড়িত নন। তাহলে তার বাড়িতে কেন হামলা হলো? রাজীবের ঘটনাটিও তেমন কিছু।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, রাজীবের দুর্ঘটনা খারাপ রাস্তা বা সড়ক অব্যবস্থাপনার কারণে হয়নি। এটা পরিবহন অব্যবস্থানার জন্য হয়েছে। চালকদের অসচেতনতা ও রেষারেষির কারণেই এটা হয়েছে। চালকদের আরও সচেতন হতে হবে।
প্রসঙ্গেত, চিকিৎসাধীণ অবস্থায় সোমবার (১৬ এপ্রিল) রাত ১২টা ৪০ মিনিটে মারা যান রাজীব।
যাত্রাবাড়ীর মিরাজিবাগে একটি মেসবাসায় ভাড়া থাকতেন রাজীব হোসেন। গত ৩ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারে সার্ক ফোয়ারার সামনে দুই বাসের চাপায় তার শরীর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ৪ এপ্রিল বিকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ৬ এপ্রিল রাজীবের চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়।
এর আগে ৪ এপ্রিল দুই বাসের চাপায় হাত হারানো রাজিব হাসানের চিকিৎসা ব্যয় বহনের জন্য দ্বিতল বাস মালিক বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহন মালিককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ কোটি টাকা প্রদানের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। তার মৃত্যুর পর এ বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে এখন পরিবার।
আরও পড়ুন: