জাতীয়ভাবে ‘পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস’ পালন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ২৮ এপ্রিল তৃতীয়বারের মতো দেশে পালিত হবে জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক নিরাপদ জীবন, নিশ্চিত করে টেকসই উন্নয়ন’। দিবসটি উপলক্ষে আগামী ২৮ এপ্রিল শনিবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা অনুষ্ঠান হবে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খান এ আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। সেখানে জানানো হয়, কারখানা মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সচেতনতা বাড়াতে এবং মালিকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবছর থেকে ১০টি কারখানাকে ‘পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি উত্তমচর্চা পুরস্কার’ দেওয়া হবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত কারখানা মালিকদের হাতে এই সম্মাননা পদক তুলে দেবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সহায়তা পাননি এমন কোনও একজন শ্রমিকও থেকে থাকলে আপনারা আমার কাছে নাম দেন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তাকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহায়তা দেবো।’
তৈরি পোশাক কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার দেওয়া হচ্ছে না, টিআইবির এমন অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩ সাল নাগাদ বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানায় ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা ছিল মাত্র ১১৩টি। মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে ২০১৮ সালে দেশে ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০০ তে।
তিনি জানান, ‘এখন বাংলাদেশে অবস্থিত কারখানাগুলোয় সাড়ে আট হাজার রেজিস্টার্ড ট্রেড ইউনিয়ন রয়েছে।’ তিনি টিআইবিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন।