শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চতর শিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়া একটি প্রিয় গন্তব্যস্থল। প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছেন।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এলডিসি থেকে গ্র্যাজুয়েশনের মাধ্যমে উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। আমাদের আরও বেশি মানবিক ক্ষমতা দরকার। অস্ট্রেলিয়া এক্ষেত্রে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দান এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষায় প্রশিক্ষণ দিয়ে অবদান রাখতে পারে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সভাপতি প্রফেসর বার্নি গ্লোভার, শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ডব্লিউএসইউ বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের বিচার ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্য প্রশিক্ষণদান কর্মসূচির মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করছে।
উল্লেখ্য তিন দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এখন অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন। তিনি শুক্রবার ভোরে সিডনি পৌঁছেছেন। সিডনির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শুক্রবার বিকালে তিনি ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন। নারী নেতৃত্বের সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এই সম্মাননা পান। প্রধানমন্ত্রী নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে একটি নতুন জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ শনিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে হোটেল সোফিটেল-এ প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ২৯ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করে পরের দিন দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে। সূত্র: বাসস।
আরও পড়ুন- এ পুরস্কার নারীদের উৎসর্গ করছি: প্রধানমন্ত্রী