বর্তমানে ৪৩ মন্ত্রণালয়ের বাজেট জেন্ডার রেসপনসিভ করা হয়েছে এবং জাতীয় বাজেটকে শতভাগ জেন্ডার সংবেদনশীল করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। তিনি বলেন, ‘জেন্ডারকে মেইন স্ট্রিমিং করার জন্য সরকারের নানামুখী উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও কর্মকর্তাদের অদক্ষতার কারণে জেন্ডার বাজেট বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের আরও দক্ষ হতে হবে। জেন্ডার বাজেট বাস্তবায়নে জিও-এনজিও (সরকারি-বেসরকারি) কর্মকর্তা এবং বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে মনিটরং সেল গঠন করা হবে।’
মঙ্গলবার (৮ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘স্ট্রেন্দেনিং জেন্ডার রেসপনসিভ বাজেটিং’ শীর্ষক এক প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা শারমিন বেনুর সভাপতিত্বে সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম, মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আরা, ইউএন উইমেন-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি শোকে ইশিকাওয়াসহ সরকারি-বেসরকারি এবং দাতা সংস্থার বিভিন্ন প্রতিনিধি অংশ নেন এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন।
এসময় নাছিমা বেগম বলেন, ‘নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।’
শোকে ইশিকাওয়া বলেন, ‘জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট মানে নারীদের জন্য আলাদা কোনও বাজেট নয়। জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট হলো নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করার জন্য নারীদের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা।’
উল্লেখ্য, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশ যৌথভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। উদবোধনী অনুষ্ঠানে প্রকল্পটি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফেরদৌসী বেগম। এই প্রকল্পের লক্ষ হলো যে সব মন্ত্রণালয় জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট বাস্তবায়ন করে সে সব মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অফিসারকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এই বাজেট সঠিক ও যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা, সেক্স ডাটাবেইজ তৈরি করা এবং মনিটরং করা।