শনিবার সকালে (১২ মে) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নীল প্যানেলের পরিচিতি অনুষ্ঠানে ঝালকাঠি যাওয়ার পর জানতে পারি সেখানে ভোটের দিন (১৪ মে) আইনজীবীদের হয় ভোট দিতে হবে, নয়তো তাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে না দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।’
বার কাউন্সিল নির্বাচনে ভোটগ্রহণের নিয়ম সম্পর্কে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘নির্বাচনি আচরণবিধি সংক্রান্ত যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে তাতে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট এবং আইনজীবী সমিতির পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করার নিয়ম রয়েছে।’
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের অনেক ভোটারকে তাদের মতামত ছাড়াই বিভিন্ন জেলার আইনজীবী সমিতির ভোটার বানানো হয়েছে। এতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের অনেকেই ক্ষুব্ধ ও অসম্মানিত বোধ করছেন। এ পরিস্থিতিতে নীল প্যানেলের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসারদের অনুরোধ করতে চাই, নির্বাচন নিয়ে কোনও অনিয়ম করা যাবে না। প্রার্থীর স্বাক্ষর ও নিয়োগ করা এজেন্টকে অবশ্যই ভোট গণনার ফলাফল সম্বলিত রেজাল্ট শিট প্রদান করতে হবে। রেজাল্ট শিটে কোনও প্রকার ঘষা-মাজা থাকতে পারবে না। ভোটারদের আইনজীবী সমিতির পরিচয়পত্র দিয়ে ভোট প্রদানের সুযোগ দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ অনুসারে প্রতি তিন বছরে একবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে অনুসারে, আগামী ১৪ মে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন নির্ধারণ রয়েছে।
এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৪৩ হাজার ৭১৩ জন। নিয়ম অনুসারে, ১৪টি পদের মধ্যে আইনজীবীদের ভোটে সাধারণ আসনে ৭ জন এবং আঞ্চলিকভাবে (গ্রুপ আসনে) ৭ জন আইনজীবী বার কাউন্সিল পরিচালনার জন্য সদস্য নির্বাচিত হন।
পরে নির্বাচিত ১৪ সদস্যের মধ্যে থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও মতামতের ভিত্তিতে একজনকে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।