খুলনায় তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিতের সঙ্গে সঙ্গে এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের অবহিত করেছে রিটার্নিং অফিস। পরে সন্ধ্যায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুস আলী বাংলা ট্রিবিউনকে আবারও জানান, নির্বাচনে ব্যালট বই ছিনতাই করে সিল মেরে বাক্সে ভরানোর অভিযোগ পাওয়ায় তিনটি কেন্দ্রে ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র হচ্ছে ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (২০২ নম্বর কেন্দ্র), লবণচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (২৭৭ কেন্দ্র) ও মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় (২৭৮ নম্বর কেন্দ্র)।
এদিকে, ঢাকায় নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকেও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনটি কেন্দ্রে ভোট বাতিলের কথা জানানো হয়। নির্বাচন শেষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ জানান, ‘কেসিসির ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩টিতে অনিয়মের কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। বাকি ২৮৬টি কেন্দ্রে চমৎকার ভোট হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
তিনি বাতিল হওয়া যে তিনটি কেন্দ্রের নাম ঘোষণা করেন সেগুলো হচ্ছে ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, লবণচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাজী মালেক সালেহিয়া দারুছুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা।
তার ঘোষণা অনুযায়ী, বাতিল হওয়া দুটি কেন্দ্রের নাম ঠিক থাকলেও খুলনা রিটার্নিং অফিসের দেওয়া একটি কেন্দ্রের নামের সঙ্গে গরমিল পাওয়া গেছে। খুলনা রিটার্নিং অফিস মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় ভোটকেন্দ্রে (২৭৮ নম্বর ভোটকেন্দ্র) ভোট বাতিলের কথা বললেও নির্বাচন কমিশন থেকে বাতিল হওয়া অপর কেন্দ্রটির নাম হাজী মালেক সালেহিয়া দারুছুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা বলা হয়েছে। এ ভোটকেন্দ্রটির নম্বর ২৭৬। তাই প্রশ্ন উঠেছে, বাতিল হওয়া ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা আসলে তিনটি নাকি চারটি? আর তিনটি হলে ২৭৬ নাকি ২৭৮ নম্বর ভোটকেন্দ্র?
এ বিষয়ে খুলনায় কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা যেটা বলেছি এটাই ফাইনাল।’
আরও পড়ুন:
ভোট গণনা চলছে, তিনটি কেন্দ্রে ভোট বাতিল