ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সড়ক সংস্কারের চাহিদার বিপরীতে যে বরাদ্দ পাওয়া যায়, তা দিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে প্রায় ২১ হাজার কিলোমিটার সড়কের মেরামত ও সংস্কার কাজ করতে হয়।’
ঈদের আগের চারদিন ও পরের চারদিনের ২৪ ঘণ্টাই দেশের সিএনজি স্টেশনগুলো খোলা থাকবে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী লিখেছেন, ‘ঈদের আগে তিনদিন মহাসড়কে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। যত প্রভাবশালীই হোক কিংবা ভিআইপি হোক, এমনকি আমি হলেও উল্টোপথে গাড়ি চালালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। এছাড়া ঈদের সময় যানজট ও অতিরিক্ত চাপ এড়াতে এলাকাভিত্তিক গার্মেন্টগুলোয় ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়া এবং খোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছি।’
এরপর মন্ত্রী লিখেছেন, ‘সড়কে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোটরযান থামাতে পারবে না। কোনোভাবেই ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলতে দেওয়া যাবে না। যানজট এড়াতে সেতুগুলোর টোল আদায়কারী সব বুথ ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হবে। অপ্রত্যাশিত বড় ধরনের দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনায় হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা ঘাটে (সেতু সংলগ্ন) বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ফেরি চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। চলছে জরুরিভিত্তিতে ঘাট মেরামতের কাজ।’ এ ঘাট ঈদের এক সপ্তাহ আগেই প্রস্তুত হয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।
সড়ক মহাসড়কের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো দাবি করেন মন্ত্রী লিখেছেন, ‘একথা অস্বীকারের উপায় নেই যে, দেশের সড়ক নির্মাণ এবং সংস্কার কাজের গুণগতমান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে জনমনে। এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে মান উন্নয়নের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এরপর মন্ত্রী সরকারের ‘উন্নয়নযাত্রা’র চিত্র তুলে ধরেন।
মন্ত্রী লিখেন, ‘আজ ২৯ মে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনক সভায় দেশের ৫টি বিভাগে ১০১টি জেলা সড়ক প্রশস্তকরণ এবং মজবুতকরণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এর আগে ৩টি বিভাগের জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়। জেলা সড়ক উন্নয়নে এতদিন আমাদের কিছুটা ঘাটতি ছিল। এখন আর ঘাটতি রইলো না।’