ইয়াংহি লি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মিয়ানমার জনগণ যে সহিংসতার চক্রের শিকার হচ্ছে, সেটি বন্ধ করার একমাত্র উপায় হচ্ছে, যারা এই অপরাধ করেছে, তাদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা।’
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে মানবাধিকার কাউন্সিল ইয়াংহি লিকে বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। আগামী সপ্তাহে তিনি ঢাকায় আসছেন।
মানবাধিকার কাউন্সিলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি আইসিসির কৌশুলি ফাতু বেনসুদা কোর্টের কাছে মিয়ানমারে সংঘটিত অপরাধের বিচার বিষয়ে একটি রুলিং চেয়েছেন। ইয়াংহি লি এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৬২ সালে মিয়ানমারে সামরিক সরকার আসার পর থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তারা মিয়ানমারে শত শত বছর ধরে বসবাস করলেও তাদের নাগরিকত্ব নেই এবং স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকারও নেই। গত ২৫ আগস্ট তাদের ওপর নির্যাতন শুরু হলে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এর আগে থেকে বাংলাদেশে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছিল।