হলি আর্টিজানে নিহতদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা

হলি আটিজানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধরাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার দুই বছর পূর্ণ হলো আজ রবিবার (১ জুলাই)। এই দিনে হলি আর্টিজান বেকারিতে ফুল দিয়ে হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশি-বিদেশি অনেকে।

রবিবার ভোর ৬টার দিকে হলি আর্টিজানে যান বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইজুমি। সকাল ১০টার পর বেকারির ফটক খুলে দেওয়ার পর নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ইতালি ও জাপানি নাগরিকরা।

হলি আর্টিজানে শ্রদ্ধা জানাতে বিদেশিরা

নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলি আর্টিজান বেকারিতে যান র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত দেশে একজন জঙ্গিরও অস্তিত্ব থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত জঙ্গিবিরোধী অভিযান চলতে থাকবে।’

র‌্যাবের মহাপরিচালকের কথায়, ‘এখনই আত্মতুষ্টির কোনও সুযোগ নেই। কারণ জঙ্গিবাদ নির্মূল একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। গত দুই বছর ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে এই বর্তা দিতে পেরেছি, বাংলাদেশ জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় নয়। এ দেশের জনগণ কখনও জঙ্গিবাদ মেনে নেয়নি, নেবেও না।’

হলি আর্টিজানে শ্রদ্ধা শেষে কথা বলছেন র‌্যাব মহাপরিচালক

হলি আর্টিজানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, গুলশান থানা আওয়ামী লীগ, তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগ, বিএনপির প্রতিনিধি দল।

হামলায় নিহত ইতালিয়ান নাগরিক নাদিয়া বেনদিত্তি ছিলেন স্টুডিও টেক্স লিমিটেডের পরিচালক। ওই গার্মেন্ট কারখানার কর্মীরাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এদিকে গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়ক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।