মাকসুদা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার ছেলেটা নির্দোষ ছিল। জঙ্গি ছিল না। কিন্তু ওকে পিটাইয়া মাইরা ফালাইছে। লাশ নেওয়ার পর আমরা ওর শরীরে অসংখ্য যখমের চিহ্ন দেখেছি। আমরা গরিব মানুষ। কার কাছে বিচার চাইবো? কে এর বিচার করবো?’
মাকসুদা বেগম আরও বলেন, ‘ছেলেটার রোজগরে আমাদের সংসার চলতো। আমি পিঠা বিক্রি করি, হোলি আর্টিজানের মালিক মাসে মাসে অল্প কিছু টাকা দেয়। এতে কোনও রকমে সংসার চলে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।’
এসময় মাকসুদা বেগমের সঙ্গে ছিলেন তার আরেক ছেলে আব্দুল্লাহ।