মঙ্গলবার (৩ জুলাই) সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে সেদেশের পার্লামেন্ট বিল্ডিং-২-এ জেনারেল সিংসাক সিংপাইয়ের সঙ্গে ড. নমিতা হালদারের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে মৎস্য ও নির্মাণ খাত ছাড়াও নার্সিং, আতিথেয়তা (হোটেল ওয়ার্কার), শিল্প, কৃষি, তৈরি পোশাক খাতে প্রচুর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ ও আধা দক্ষ কর্মী রয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় প্রতিটি জেলায় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার আছে, তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে তাদের ভাষা শিখিয়ে থাইল্যান্ডে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব।
এর আগে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে থাইল্যান্ডের শ্রম মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি পার্মানেন্ট সেক্রেটারি ভিভাথানা থেংহংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন সচিব। এ সময় থাইল্যান্ডের শ্রম বাজারে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ড. নমিতা হালদার বলেন, ‘থাইল্যান্ডে আসিয়ানভুক্ত দেশের শ্রমিকদের পরই বাংলাদেশের শ্রমিক নিয়োগ হতে পারে। বাংলাদেশ বর্তমানে মৎস্য ও মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পোশাক খাত, নির্মাণ খাত, নার্সিং, কৃষি, গৃহস্থালি কাজকর্মসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ ও স্বল্প দক্ষ কর্মী নিয়োগে সক্ষম।’
বৈঠক দুটিতে বাংলাদেশের পক্ষে আরও ছিলেন ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া মুনা তাসনিম ও প্রথম সচিব (শ্রম) একেএম মনিরুজ্জামান।