এর আগে বিলটির ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিলটি সংসদে তোলেন শিল্পমন্ত্রী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
চিনিকলের পাশের রাস্তার উন্নয়নে আখ বিক্রেতাদের কাছ থেকে কর (সেস) নেওয়ার বিধান ১৯৬০ সালে করা হয়। যে আইনটি এখনও বলবৎ রয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, আখ বিক্রেতারা চিনিকলের পার্শ্ববর্তী রাস্তার উন্নয়নে প্রতি মণ আখের জন্য ১২ পয়সা করে কর দেবে।
বিলটি উত্থাপনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক যোগাযোগ অবকাঠামোকে অগ্রাধিকার প্রদানের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ কর্তৃক কার্যকর ও উপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ এবং সেইগুলোর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ এলাকাসহ সব অঞ্চলের যোগাযোগ অবকাঠামো ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, আখ বিক্রেতাদের কাছ থেকে আদায়কৃত উপকর দ্বারা চিনিকল এলাকায় আখ পরিবহনের জন্য চিনিকল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট নির্মাণ, উন্নয়ন, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের আবশ্যকতা নেই।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ওই অধ্যাদেশ ও এর সংশোধন আইন ও অধ্যাদেশসমূহ রহিত হলে আখ বিক্রেতারা উপকর প্রদানের অনাবশ্যক দায় হতে অব্যাহতি পাবেন।