পরে বিলটি তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। এর আগে বিকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
২০১০ সালে প্রণীত এই আইনে এর আগে একাধিকবার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ ২০১৫ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়েছিল। ওই সংশোধনী অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর এই আইনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। এবার আরও তিন বছর বাড়িয়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই আইনের আওতায় দেশে কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুতের বড় ধরনের ঘাটতি মোকাবিলায় ২০১০ সালে এই আইন করা হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ কমিটির মাধ্যমে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চুক্তি করার বিধান রয়েছে আইনটিতে। এর আওতায় স্বল্পসময়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে, ওয়েবসাইটে প্রচার চালিয়ে বা ই-মেইলে যোগাযোগ করে আলোচনা ও দর কষাকষির মাধ্যমে বিদ্যুৎ বা জ্বালানি প্রকল্পের জন্য চুক্তির সুযোগ রয়েছে সরকারের।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও সরকারের ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নের স্বার্থে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আইনের মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন।