চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘আমি স্বেচ্ছায় গাড়িটি রাস্তায় রেখে গেলাম। কিন্তু আমি গাড়িটির আমদানিকারক নই। আমদানিকারককে আইনের আওতায় নেওয়ার জন্য শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাছে বিনীত অনুরোধ রইল। আমি দেশের আইনের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাই এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, গাড়িটির টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার ভি ৮, সিসি-৪৬০৮, মডেল-২০১৩। তবে কোনও নাম্বার প্লেট নেই।
অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. সহিদুল ইসলাম জানান, শুল্কসহ গাড়িটির আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শেষে কাস্টমস আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।