বৈঠকটি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
যুগ্ম সচিব আবুল কাশেম বলেন, ‘দেশে-বিদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সম্পর্কিত বিভিন্ন সময়ের তত্ত্ব-উপাত্ত, কমিটির প্রতিবেদনসমূহ সংগ্রহ করার পর সেই অনুযায়ী সুপারিশ প্রণয়নের কাজ করবো। এসব তত্ত্ব-উপাত্ত পাওয়ার পর কমিটির পরবর্তী সভা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছি।’
তিনি বলেন, ‘আজকের বৈঠকে কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপন্থা চূড়ান্ত করা হয়েছে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম সচিব বলেন, ‘কমিটিকে যেহেতু ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে, সে কারণে আমরা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই সুপারিশ পেশ করার চেষ্টা করবো। একান্তই যদি আমরা ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সেটি করতে না পারি তাহলে পরবর্তীতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এই কমিটিতে আরও কাউকে যুক্ত করা হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ‘এখনও এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে তত্ত্ব-উপাত্ত ও এর আগে বিভিন্ন সময়ের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বৈঠকে কোটা সংস্কার কমিটির আহ্বায়ক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং কমিটির সদস্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব,লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সচিব এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন।