শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী-মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ সমাবেশের আয়োজন করে।
নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ‘২০০৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলন শুরু করেছিল জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবির। স্বাধীনতাবিরোধীচক্র কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে এখন ষড়যন্ত্র করছে। তারা কোটা সংস্কারের নামে মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা বাতিলের ষড়যন্ত্র করছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে কোটা পদ্ধতি চালু রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘রাজাকার-আলবদর-স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি যারা সরকারি চাকরিতে থেকে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করছে তাদেরও তালিকা প্রণয়ন করা হবে। স্বাধীনতাবিরোধীরা কখনও দেশের উন্নয়ন চায়নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর স্বাধীনতাবিরোধীচক্র ক্ষমতায় এসে তাদের পছন্দের লোকদের সরকারি চাকরি দিয়েছে।’
নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। রাজাকারদের বিচার, জঙ্গি দমন, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।’
শাজাহান খান বলেন, ‘জামায়াত-শিবির দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে হবে।’
পরে একটি র্যালি সোনালী ব্যাংক চত্বর থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। নৌপরিবহনমন্ত্রী র্যালিতে নেতৃত্ব দেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদির গামা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওসমান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান আহমেদ, নাট্যব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচী, নারীনেত্রী সেলিনা আক্তার, সিবিএ নেতা মো. কামালউদ্দিন, সিবিএ নেতা আবুল হোসেন, সিবিএ নেতা মহসিন ভূইয়া, শ্রমিক নেতা ওমর ফারুক, শ্রমিক নেতা শিপু আহমেদ প্রমুখ র্যালিতে যোগ দেন।