বিজিবি’র সদর দফতর থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিজিবির সদর দফতর পিলখানায় বিজিবি ও মিয়ানমারের বিজিপির সিনিয়র পর্যায়ে চার দিনব্যাপী এ সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে। মিয়ানমারের চিফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো থানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদল এ সীমান্ত সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। মিয়ানমার প্রতিনিধিদলে মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন। অন্যদিকে, বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা রয়েছেন।
সীমান্ত সম্মেলনে এবারের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ইয়াবাসহ অবৈধ মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধ, সীমান্তবর্তী এলাকায় মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনাবাহিনী কর্তৃক ফায়ারিং বন্ধ, মিয়ানমার নাগরিকদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ঠেকানো, সীমান্তবর্তী এলাকায় মিয়ানমারের সামরিক হেলিকপ্টার ও ড্রোন চলাচল বন্ধ, শূন্য লাইন থেকে মাইন ও আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) অপসারণ, বর্ডার লিয়াজোঁ অফিস স্থাপন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে বা অসতর্কতাবশত সীমান্ত অতিক্রমের কারণে আটক ও কারাভোগের পর নাগরিকদের স্বদেশে ফিরিয়ে নেওয়া, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন এবং সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বৃদ্ধির বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ।
সীমান্ত সম্মেলন শেষে আগামী ১২ জুলাই সকাল ৯টায় যৌথ আলোচনার দলিল (জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশন্স-জেআরডি) স্বাক্ষরিত হবে এবং একই দিনে মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে।