দেশের ৩৭টি জেলার সার্কিট হাউজ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় বিদ্যমান সার্কিট হাউজগুলোর ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে সুশাসন ও দক্ষ সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এই লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশের ৩৭টি জেলার সার্কিট হাউজের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ’ প্রকল্প নামের একটি পৃথক প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ ধরা হয়েছে ১৭০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুলাই) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এসব কথা জানিয়েছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ‘বাংলাদেশের ৩৭টি জেলার সার্কিট হাউজের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ’ প্রকল্পসহ ৬টি (নতুন ও সংশোধিত)) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৯২০ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে জিওবি ২ হাজার ৭০ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ২২৪ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৬২৫ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা।
একনেকে অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণ প্রকল্প, মাইজদি-রাজগঞ্জ-ছয়ানী-বসুরহাট-চন্দ্রগঞ্জ (আর ১৪৩) আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্তায় উন্নীতকরণ প্রকল্প, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর আওতায় বাস্তবায়িতব্য খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের জন্য লিংক (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প ও সারাদেশের পুরাতন খাদ্য গুদাম ও আনুসাঙ্গিক সুবিধাদির মেরামত এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প।