পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এক প্রেসব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) এনএম জিয়াউল আলম সাংবাদিকদের জানান, আইনটির খসড়া নীতিগত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলেও ব্যাপক আলাপ আলোচনার পর কিছু সংশোধন সাপেক্ষে আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এনএম জিয়াউল আলম আরও জানান, দেশের ১৩ হাজার ৮৬১টি ক্লিনিকের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৬২ কোটি ৫৭ লাখ মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা ১৩ হাজার ৮৬১টি থেকে বাড়িয়ে ১৪ হাজার ৮৯০টিতে উন্নীত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনায় একটি ট্রাস্ট গঠিত হবে।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই আইন পাস হলে এটি ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। যে ট্রাস্টের প্রধান হবে প্রধানমন্ত্রী। কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মরত কর্মীদের বেতন ভাতা, গ্র্যাচুইটি- সবকিছুই সরকারি কর্মচারীদের মতো বিধান রাখা হয়েছে যা একটি প্রবিধান অনুযায়ী পরিচালনা করা হবে। কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার ব্যয়ে সরকারের থোক বরাদ্দ থাকবে। এছাড়া যেকেউ এই ট্রাস্টে অনুদান দিতে পারবে। ট্রাস্ট যদি কখনও আর্থিক সংকটে পড়ে তাহলে সরকারের তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে ওই সংকট মেটানো হবে। কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনায় একটি বোর্ড থাকবে। এই বোর্ডের সদস্য সংখ্যা থাকবে ১৪ জন। বোর্ডের সভাপতি মনোনয়ন দেবেন প্রধানমন্ত্রী তথা ট্রাস্টের প্রধান। কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা বোর্ডের সঙ্গে জেলা, উপজেলা স্বাস্থ্য পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা যুক্ত থাকবেন। বোর্ডে একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকবেন, তার পদমর্যাদা হবে সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদার। কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালিত হবে এই পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে।’