পদত্যাগের দাবির বিষয়ে শাজাহান খান বলেন, ‘মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করলেই তো আর সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে না। পদত্যাগ করলে যদি সব সমস্যার সমাধান হয়, তাহলে আমার পদত্যাগে কোনও অসুবিধা নেই।’
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে নৌমন্ত্রী বলেন, ‘বিক্ষোভ তো হতেই পারে। এর বিরুদ্ধে আমি কিছু বলবো না। কারণ, যেকোনও ঘটনায় যারা সংক্ষুব্ধ হবেন, তারা তো বিক্ষোভ প্রদর্শন করতেই পারেন। আমি তো তাদের এই বিক্ষোভকে অমূলক বলবো না।’ ছাত্রদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা অপেক্ষা করুন। দেখুন আমরা কী করি। দুর্ঘটনা ঘটেছে, আমাদের দায়িত্ব হলো এই দুর্ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিচারের ব্যবস্থা করবো। আমি ছাত্রবন্ধুদের আশ্বস্ত করতে চাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা হবে। শ্রমিকরা আন্দোলনের সুযোগ পাবে না।’
শাজাহান খান বলেন, ‘আমরা মালিক-শ্রমিকরা আগামীকাল বসবো। পরিবহন সেক্টরে যে ঘটনাগুলো ঘটছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করবো। আমাদেরও কিছু দায়িত্ব নিতে হবে। সেই দায়িত্বগুলো নেওয়ার জন্য আমরা একমত হয়েছি। আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যায় মিটিং করে চালকদের একটা মেসেজ আমরা দিতে চাই।’ তবে বৈঠকটি কোথায় হবে তা জানাননি তিনি।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইতোপূর্বে যে কমিটি করে দিয়েছিলেন, সেই বিষয়ে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ‘ইতোমধ্যে সচিব পর্যায়ে একটি সভা হয়েছে। প্রাথমিক কাজ হওয়ার পর সেতুমন্ত্রী আমাদেরসহ বসবেন।’
সড়ক দুর্ঘটনারোধে ড. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে শাজাহান খান বলেন, ‘সেই কমিটি ৮৫টি সুপারিশ দিয়েছিল। এই বিষয়ে আমরা সতর্ক হচ্ছি। ৮৫টি সুপারিশের মধ্যে অনেকগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে। আরও বাস্তবায়ন করতে হবে। সেগুলো নিয়েও আমরা মালিক শ্রমিকরা বসবো, যেন এগুলো দ্রুত কীভাবে আমরা কার্যকর করতে পারি।’
জাবালে নূর গাড়ির মালিক সম্পর্কে শাজাহান খান বলেন, ‘এটা তো একটা কোম্পানি, এতে ১০-২০ জন মালিক থাকতে পারে। গাড়ির ব্যবসা আমার ভাইয়েরাও করেন। এটা আমাদের আদি ব্যবসা। ১৯৬২ সাল থেকে আমাদের গাড়ির ব্যবসা রয়েছে।’