বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে হাজীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এজন্য ১০৫ জন চিকিৎসকসহ ৩৫৮ জনের বাংলাদেশ মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক জনবল ইতোমধ্যে সৌদি আরব পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ হজ মিশনের হজ অফিসার (উপসচিব) মো. জহিরুল ইসলাম জানান, মক্কা, মদিনা ও জেদ্দায় হাজীদের সেবায় ৪০০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত সৌদি আরবে আট বাংলাদেশি হাজীর মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশ হজ মেডিক্যাল সেন্টারের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিদিনই চিকিৎসা নিতে আসা হাজীদের সংখ্যা বাড়ছে।
মক্কা সেন্টারে প্রতি শিফটে ১০ জন করে চিকিৎসক তিন শিফটে হাজীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ সরবরাহ করছেন। নারী হাজীদের জন্য রয়েছে নারী চিকিৎসক। বর্তমানে প্রতিদিন কমপক্ষে এক হাজার বাংলাদেশি হাজী বাংলাদেশ হজ মেডিকেল সেন্টার থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনেক হাজী প্রতিনিয়ত ঠাণ্ডা পানি খেয়ে গলা ব্যথায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের নরমাল পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া সৌদি আরবের কোনও ফার্মেসি ঔষধ বিক্রি করে না।
সৌদি আরবের বিমান বন্দর থেকে নেমে হাজীরা মক্কা বা মদিনায় বাসে আসার পর কোনও কোনও হাজীর লাগেজ হারিয়ে যায়। এসব লাগেজ পরে বাংলাদেশ হজ মিশন অফিসে পৌঁছে দেন সংশ্লিষ্টরা। সেখান থেকে নিজেদের লাগেজ বুঝে নেন হাজীরা।