শ্রমিকরা জানান, সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা কাজে যোগ দেবে না। তারা আরও বলছেন, গত কয়েক দিনে তাদের অনেক গাড়ি ভাঙা হয়েছে, পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্স দেখার কথা পুলিশের, অথচ দেখছে ছাত্ররা। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছেন। তাই সরকারের প্রতি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেন। ফলে এই টার্মিনাল থেকে আন্তঃনগর সিটি সার্ভিস ও দূরপাল্লার কোনও পরিবহন ছাড়েনি। ফলে বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
অনাবিল পরিবহনের হেলপার মিরা উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সরকার ও মালিকপক্ষসহ সবাইকে জানিয়ে দিয়েছি, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা রাস্তায় গাড়ি নামাতে দেবো না।’
জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির দফতর সম্পাদক জামদানী খন্দকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত কয়েক দিনে আমাদের অন্তত পাঁচ শতাধিক গাড়ি ভাঙা হয়েছে। চালক ও হেলপারদের ওপর হামলা করা হয়েছে। এটা তো শিক্ষার্থীদের আন্দোলন হতে পারে না। শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এরপরেও তারা এমন আন্দোলন করছে।’
এদিকে শ্রমিকদের আন্দোলন থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। তিনি শ্রমিকদের উদ্দ্যেশে বলেন, ‘আপনারা আন্দোলন প্রত্যাহার করুন। বিষয়টি নিয়ে আমরা উচ্চ পর্যায়ে কথা বলবো।’
আরও পড়ুন- গাড়ি ধরে শিক্ষার্থীরা, মামলা দেয় পুলিশ