পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বৈঠকে ৬ হাজার ৪৪৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১১টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে একনেক । এরমধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৬ হাজার ৪১৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা খরচ করা হবে।’ তিনি জানান, ‘দেশের যেসব স্থানে তাঁত শিল্প রয়েছে, সেগুলোর জন্য প্রকল্প নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক্ষেত্রে জামালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, সিলেটের মনিপুর ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে তাঁত শিল্প বিকাশে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে।’
একনেকে অনুমোদিত প্রকল্প গুলো হচ্ছে, অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের নিমিত্ত ভূমি অধিগ্রহণ; ডেসকো এলাকায় স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার সরবরাহ ও স্থাপন; বাংলাদেশে তাঁত বোর্ডের আওতায় ৫টি বেসিক সেন্টার ৫টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, একটি ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট ও ২টি মার্কেট প্রমোশন কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প; ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পীরগঞ্জ, রংপুর স্থাপন; সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমণি নিবাস নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ প্রকল্প। হাই-টেক পার্ক, সিলেট এর প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণ; ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলাধীন পদ্মা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং; নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে চেয়ারম্যানঘাট সড়ক উন্নয়ন; বীরগঞ্জ-খানসামা-দাড়োয়ানী, খানসামা-রাণীবন্দর ও চিরিরবন্দর-আমতলী বাজার জেলা মহাসড়কে যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ; কুলাউড়া-পৃথিমপাশা-হাজীপুর-শরীফপুর সড়কের ১৪তম কিলোমিটারে পিসি গার্ডার নির্মাণ ও ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ এবং ঢাকা জেলার দোহার উপজেলাধীন মাঝিরচর থেকে নারিশাবাজার হয়ে মোকসেদপুর পর্যন্ত পদ্মা নদি ড্রেজিং ও বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প।