ঢাকাস্থ ইন্দোনেশিয়া দূতাবাসে ‘ঢাকা আসিয়ান কমিটি’ (ডাক) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট আসিয়ান প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ‘ডাক’-এর যাত্রা শুরু হয়।
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আঞ্চলিক নিরাপত্তায় গুরুত্ব দিয়ে শান্তিপূর্ণ এশিয়া গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার বিষয়েও বাংলাদেশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশ এশিয়ান রিজিওনাল ফোরামের (এআরএফ) সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এআরএফ ও আসিয়ানের পারস্পরিক সম্পর্ক শুধু দুটি ঐতিহাসিক অঞ্চলের মধ্যে শুধু সেতুবন্ধনই রচনা করবে না, এর সঙ্গে বিনিয়োগ বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়েও অবদান রাখবে। আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে বিশ্বের ৯ শতাংশ মানুষ বাস করে। এটি উন্নয়নশীল দেশের আঞ্চলিক জোটগুলোর মধ্যে অন্যতম সফল জোট। এই জোটের অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। আসিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি (এইসি) বিশ্বের পঞ্চম এবং চীন ও ভারতের পরে তৃতীয় দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা আসিয়ানের প্রবেশদ্বার থাইল্যান্ড। ওদিকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সংস্থা সার্কের শেষ সীমান্তে রয়েছে বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশ আসিয়ান ও সার্কভুক্তদেশগুলোর মাঝে সম্পর্কের সেতু হতে পারে । ফলে, এসব দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও কানেকটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করবে।’ পাশাপাশি ১০ সদস্যের আসিয়ান জোটে নতুন সদস্য হিসেবে বাংলাদেশেরও অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত রিনা পৃথিয়াসমিয়ারসি সোমারনোসহ আসিয়ান দেশগুলোর হাইকমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।