সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘আমরা পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা সবাই এই আইনের পূর্ণ সমর্থন করি। এই আইন ১৯৮৩ সালের আইন থেকে অনেক সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্য। আমরা এই আইনের প্রতি সমর্থন জানাই। তবে এই আইনে জরিমানার পরিমাণ অনেক বেশি। আমরা কিছু সংশোধনী প্রস্তাব দেবো। সরকার আমাদের সংশোধনী মানলেও সমর্থন থাকবে, না মানলেও সমর্থন থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আগামীকাল থেকে কোনও গাড়ি চুক্তিভিত্তিক চলবে না। এভাবে চললে (প্রতিযোগিতা) বেশি হয়, দুর্ঘটনা বাড়ে। আমরা এটা করতে দেবো না। যে কোম্পানি আমাদের এই শর্ত মানবে না, সে কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করার জন্য আমরা সুপারিশ করবো। আর আমাদের সমিতির আওতায় হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নেবো। গাড়ি মজুরি ভিত্তিক চলে কিনা, তা দেখার জন্য প্রতিটি রাস্তায় কোম্পানির চেকার থাকবে। আমরাও (মালিক সমিতি) তা শনাক্ত করার জন্য ‘কৌশল’ ব্যবহার করবো।’’
এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মাদকাসক্ত কোনও চালককে গাড়ি চালাতে দেবো না। প্রতিমাসে প্রত্যেক মালিককে চালক ও হেল্পারদের নিয়ে কমপক্ষে একটি করে সচেতনতামূলক সভা করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগামীকাল থেকে আমরা প্রতিটি বাস টার্মিনালের মুখে চেক করবো, কোনও গাড়ি ফিটনেস সনদ, চালকের লাইসেন্স ছাড়া চলে কিনা পরীক্ষা করে দেখবো। চেক করার পর ফিট হলে গাড়িটা টার্মিনাল থেকে বের হতে পারবে, নইলে বের হতে পারবে না। কারও বাসের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সনদ ও চালকের লাইসেন্সসহ কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে, তাকে চলতে দেওয়া হবে না। এমন অভিযান সব সময় চলবে। কিছুদিন পর বন্ধ হয়ে যাবে না। আর রঙচটা, লক্কড়-ঝক্কড় মার্কা বাস মেরামত করার জন্য প্রত্যেক মালিককে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।’
যানবাহনের ভেতরে কোনও টিকিট বিক্রি না করার ঘোষণা দিয়ে এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘এটা নিশ্চিত করা গেলে বাসে যাত্রীদের সঙ্গে হেল্পারদের আর সমস্যা হবে না।’ এ সময় তিনি চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো বন্ধ করতে সড়কের পাশে টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা রাখার জন্য সিটি করপোরেশনকে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমরা লিখিতভাবেও জানাবো।’