শনিবার (১৮ আগস্ট) র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের মহাপরিচালক জানান, দুই সপ্তাহের নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সারাদেশে ২৪৫টি পেট্রোল টিম মোতায়েন আছে, রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্স রয়েছে ৫৬টি। ঢাকার এক্সিট পয়েন্টগুলোয় বসানো হয়েছে ২০টি অস্থায়ী ক্যাম্প। মেঘনা ও মধুমতি ব্রিজে অস্থায়ী ক্যাম্প রয়েছে। দৌলতিয়া, মাওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘মাওয়ায় নাব্য সমস্যা আছে। যে কারণে বড় ফেরিগুলো চলাচল করতে পারছে না। ড্রেজিং করে নাব্য ফেরানোর কাজ চলছে। সদরঘাট এলাকায় বাড়ির ফেরার জন্য মানুষের চাপ ছিল ও লঞ্চগুলোতে ওভারলোডিং চোখে পড়েনি। গার্মেন্টসগুলো এখনও চালু রয়েছে। তাদের ছুটি হওয়ার পর কিছুটা চাপ বাড়বে। আমরা সেই চাপ সামলে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। সারাদেশে ৬৮টি ট্রেন আপ-ডাউন করছে।’
কিশোরগঞ্জ ও দিনাজপুর ঈদের জামাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সারাদেশে বড় বড় জামাতগুলো র্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান মহাপরিচালক।
ঈদ ও ঈদের জামাত নিয়ে হুমকির বিষয়ে বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘থ্রেটের বিষয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’