ভিয়েতনামের হ্যানয়ের শেরাটন হ্যানয় হোটেলের সভাকক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বারাজ এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘দুই দেশের মন্ত্রী আলোচনাকালে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন। তারা আশা করেন, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জনে ভারত সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। নতুন বিদুৎ উৎপাদন প্রকল্পগুলোর জন্য পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় অংশ থেকে বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়ে চলমান আলোচনার বিষয়ে আলোকপাত করেন।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সহযোগিতায় বাংলাদেশ নেপাল ও ভুটানের সঙ্গেও বিদ্যুৎ খাতে সহাযোগীর সম্পর্ক গড়তে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ভারত ও ভুটানের মধ্যে জলবিদ্যুৎ খাতে যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে শিগগিরই সেটা চুক্তিতে পরিণত হবে।’
বাংলাদশে, ভুটান, ভারত ও নেপালের মধ্যকার চার দেশীয় পরবিহন নেটওর্য়াক (বিবিআইএন)-এর সাম্প্রতিক সফলতার কথা উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বিবিআইএন দেশগুলোর অর্থনীতি নবধারার সঞ্চার করে পারস্পরিক সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে। চার দেশীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক গঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অভিন্ন পরিবহন নেটওয়ার্ক। উপ-আঞ্চলকি সম্প্রীতি ও সৌর্হাদ্য’র বন্ধন দৃঢ় করতে বিবিআইএন মোটর ভেহিক্যাল এগ্রিমেন্ট পারস্পরকি সম্পর্কে যোগ করতে যাচ্ছ নতুন মাত্রা। ’