জানা গেছে, বাণিজ্যিক বিমান চালাতে গেলে একজন পাইলটের সিপিএল বা কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স থাকতে হয়। বিমান চালনার জন্য সিভিল অ্যাভিয়েশনে আবেদন করতে হয়। এই সময় স্বাস্থ্যগত পরীক্ষাও করা হয়। লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে লাইসেন্স।
এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন গ্রুপ অব বাংলাদেশ (এএআইজি-বিডি) প্রধান ক্যাপ্টেন সালাহ্উদ্দিন এম রহমতুল্লাহ বলেন, ‘মেডিক্যাল টেস্টে কারও যদি নিকোটিনের মাত্রা অতিরিক্ত দেখা যায় তখন তাদের সতর্ক করা হয়। তবে ধূমপানে কোনও বাধা নেই। স্বাস্থ্যগত কারণে সবাইকে নিরুৎসাহিত করা হয়।
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলটস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)-এর সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন সাজ্জাদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ধূমপায়ীরা পাইলট হতে পারবেন। তবে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা হয়। ফ্লাইটে ওঠার পর বিমানে কোনও অবস্থায় ধূমপান করা যাবে না। তবে অন্য সময়ে এটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়।’
এ প্রসঙ্গে সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন্স) উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পাইলটদের ধূমপান নিয়ে বাধ্যবাধকতা নেই, এটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে তাদের মেডিক্যাল টেস্টের সময় ডিক্লেয়ার করতে হয়। একটা সময় পাইলটরা ককপিটে ধূমপান করতে পারতেন। তবে এখন বিমানে ধূমপান নিষিদ্ধ। ফলে ককপিটে ধূমপানের সুযোগ নেই।’