রবিবার (২ সেপ্টেম্বর) গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৯৭ সালে ৪টি দেশ নিয়ে শুরু হওয়া ‘বিসটেক’ পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সালে ৭টি দেশ নিয়ে ‘বিমসটেক’ হিসেবে নতুন করে যাত্রা শুরু করে। বিমসটেক ২১ বছর পূর্ণ করায় এবারের শীর্ষ সম্মেলন ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সম্মেলনে বিগত ১০ বছরে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জিত সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমসটেক অঞ্চলের দারিদ্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত, সন্ত্রাস ও অন্যান্য সমস্যাকে যৌথভাবে মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ২১ বছরের সাফল্য-ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে বিমসটেককে আরও শক্তিশালী করার জন্য নেতৃবৃন্দকে আহ্বান জানিয়েছি।
শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ২০১০ সালে ভারতের গোয়ায় বিমসটেক লিডারদের শীর্ষ সম্মেলনে ১৬ দফা ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামষ্টিক উন্নয়নের জন্য বিমসটেক মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল গঠন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে সহায়তা ও পুঁজি বিনিয়োগের বিষয়ে তাগিদ দিয়েছি। এর জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো ও আইনি দলিল সম্পন্ন করার জন্য জোর দিয়েছি।
এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।