এতে সভাপতিত্ব করেন ফেমবোসা‘র বর্তমান চেয়ারম্যান ও আফগানিস্তানের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান গুলাজান আবদুল বাদি সায়েদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মেলনের সফলতা কামনা করে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের দশম সংসদের মেয়াদ শেষের দিকে। একাদশ সংসদ নির্বাচন আমাদের দরজার কড়া নাড়ছে। এই নির্বাচনের জন্য কমিশন সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এমনকি তারা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।’
সম্মেলনে ভারত, শ্রীলঙ্কা আফগানিস্তান, নেপাল ও ভুটানের নির্বাচন কমিশন প্রতিনিধিরা অংশ নেন। নিজ দেশে নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত থাকায় পাকিস্তান ও মালদ্বীপের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে আসেননি। তবে দেশ দুটির বাংলাদেশ কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
এই সম্মলনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার FEMBoSA‘র নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তিনটি সাধারণ ও আটটি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এসব সেশনে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করবেন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে ২০১০ সালে ঢাকায় সার্ক দেশগুলোর নির্বাচন কমিশনের এক সম্মেলনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের দেশগুলোর নির্বাচন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে ফেমবোসার যাত্রা শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে সার্ক দেশগুলোর বিভিন্ন দেশে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পর্যায়ক্রমে ২০১১ সালে পাকিস্তান, ২০১২ সালে ভারত, ২০১৩ সালে ভুটান, ২০১৪ সালে নেপাল, ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কা, ২০১৬ সালে মালদ্বীপ ও ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে সংস্থাটির বাৎসরিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।