রিয়াজুল কবির বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামী নির্বাচনকে সামনে নিয়ে আজ আমরা বসেছি। এই নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এই কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়। অথচ এই কমিশন সুষ্ঠ প্রক্রিয়ায় গঠন করা হয়েছে।’
এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘আমরা একসময় ভোটের অধিকারের জন্য অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কিন্তু এখন আওয়ামী লীগ এই সিস্টেমের অনেক পরিবর্তন করেছে। ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র, ভোটিং সিস্টেমকে আরও উন্নয়ন করা নিয়ে প্রতিনিয়তই চিন্তা ভাবনা করছে। তারই ধাবাহিকতায় ভোটিং সিস্টেমকে ডিজিটাল করার প্রয়াস পাচ্ছে। ব্যালট পেপারে প্রচুর খরচসহ নানারকম সমস্যা তৈরি করে। সে কারণেই প্রযুক্তির ব্যবহার করার পরিকল্পনা।’
তিনি বলেন, ‘২০১০ সালে প্রথম ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়েছিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে। তারপর থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। আর আগামী জাতীয় নির্বাচনেও যদি এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাহলে অনেক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভোট গ্রহণ হবে। কিন্তু এটা নিয়েই নানা জন নানাভাবে বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। তবে আগামী নির্বাচনে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে সুষ্টভাবে কাজ করতে সহযোগিতা করবে আওয়ামী লীগ।’
রিয়াজুল কবির আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকে বিতর্ক করার চেষ্ট করা হয়। কিন্তু নির্বাচনে জয়ী হলে তখন তারা আর কিছু বলেন না। এই মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে।’