পলিথিনের বিকল্প উপকরণ সহজলভ্য করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির






পলিথিনের বিকল্প উপকরণ সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একইসঙ্গে কমিটি পলিথিন ব্যবহারের ক্ষতিকারক দিক তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে প্রচার চালানোরও সুপারিশ করেছে।
বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সভাপতি হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, নবী নেওয়াজ, মো. ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী, মো. ইয়াসি আলী এবং মেরিনা রহমান বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, বৈঠকে জানানো হয়, সাভার বিসিক চামড়া শিল্পনগরীতে এখন ১১৫টি ট্যানারি উৎপাদনে আছে। ট্যানারির তরল বর্জ্য পরিশোধনের জন্য বিসিকের নির্মিত ২৫ হাজার ঘনমিটার/দিন ক্ষমতাসম্পন্ন সিইটিপিতে ফ্লুয়েন্ট পাওয়ার সিস্টেমের মাধ্যমে তরল বর্জ্য স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সিইটিপির পরিশোধিত তরল বর্জ্য ও অপরিশোধিত তরল বর্জ্য এবং ধলেশ্বরী নদীর ১০০ মিটার উজানে ও ২০০ মিটার ভাটি থেকে প্রতি মাসে পরিবেশ অধিদফতরের গবেষণাগারের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করে ফলাফলে দেখা যায় বিভিন্ন ক্ষতিকর তরল বর্জ্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালার মানমাত্রার বাইরে।

সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে পলিথিন বন্ধে জনসচেতনতে গড়ে তুলতে একটি পক্ষ পালনের সুপারিশ (১৫ দিনের কর্মসূচি) করা হয়। এ ছাড়া পর্যটন এলাকার আকর্ষণ বজায় রাখতে এবং বন ও পরিবেশের ক্ষতি এড়ানোর জন্য জাফলং এলাকা থেকে দূরে কোথাও পাথর ‘ক্রাশিং জোন’ স্থাপনের সুপারিশ করা হয়।