পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইতিপূর্বে দেয়া তার পাঁচ দফা প্রস্তাবের পাশাপাশি আরো কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরবেন। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুর পাশাপাশি বিশ্ব শান্তি, নিরাপদ অভিবাসন, ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও কথা বলবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বিশ্ব নেতাদের সামনে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা এবং দেশের চলমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে গতিশীল ও বিচক্ষণ ভূমিকা এবং অসামান্য নেতৃত্বের জন্য দুটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে ইন্টার প্রেস সার্ভিস (আইপিএস) প্রধানমন্ত্রীকে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেবে। এ ছাড়া গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন তাকে (শেখ হাসিনা) ‘২০১৮ স্পেশাল রিকগনাইজেশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করবে।
ওইদিন বিকালে (স্থানীয় সময়) জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পোমপিওর সঙ্গেও তার সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে সপ্তাহব্যাপী সরকারি সফরে ২৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছেন। তিনি ১ অক্টোবর সকালে লন্ডন হয়ে দেশে ফিরবেন।