‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এই ধারার অন্তরায়’

ইশতিয়াক রেজাসারাবাংলা ও গাজী টিভির এডিটর ইন চিফ ইশতিয়াক রেজা বলেন,‘নানা সময় দেশে নানা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। নাসিরনগরের সাম্প্রদায়িক হামলা। কিছুদিন আগে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ঘিরে গুজব ছড়িয়েছে। ফলে সাইবার অপরাধীদেরকে দমন করার জন্য আইন দরকার রয়েছে। তবে সাইবার অপরাধে যারা জড়িত, তারা বেশিরভাগই দেশের বাইরে থাকে। এই সমস্ত অপরাধীদেরকে দমন করা সময়ের দাবি। কিন্তু, ৫৭ ধারা হওয়ার পর তার প্রচুর পরিমাণ অপপ্রয়োগ হলো। সাংবাদিকদের ওপর এই প্রয়োগ বেশি হলো। তখন সাংবাদিকরা এর প্রতিবাদ করলো। কিন্তু, পরে সেটা সংস্কার করে ৩২ ধারা আনার প্রস্তাব হলো আরও ভয়ঙ্করভাবে। এই আইনে কৌশলে সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ডকেই গুপ্তচর বৃত্তি বলা হলো। পরে আমাদের দাবি ছিল এই শব্দটি ফেলে দিয়ে সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার স্বাধীনতা দেওয়া হোক। কারণ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এই ধারার অন্তরায়।’

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এপিঠ-ওপিঠ’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে মঙ্গলবার (২ অক্টোবর)বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে চলছে বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি।

রাজধানীর শুক্রাবাদে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করছে এটিএন নিউজ। পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজে লাইভ দেখা যাচ্ছে বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি।

তিনি আরও বলেন, ‘সেই শব্দটি (গুপ্তচর বৃত্তি) ফেলে দেওয়া হলো ঠিকই, কিন্তু মূল বক্তব্য ঠিকই থাকলো। বর্তমানে এটার বিলও পাস হয়ে গেলো।’

মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেল ডিবিসি’র চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ড. মো. গোলাম রহমান, একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল ও বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল। 

আরও খবর: 

‘এখনও আলোচনার সুযোগ রয়েছে’

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এপিঠ-ওপিঠ’ শীর্ষক বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি শুরু