শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব পর্ষদ আয়োজিত ১১ দিনব্যাপী ‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৮’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, সপ্তম বারের মতো এ উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গতবার এ উৎসবের নাম ‘গঙ্গা-যমুনা নাট্যোৎসব’ থেকে ‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব’ করতে আহ্বান জানিয়েছিলাম। এর মাধ্যমে শুধু নাটকের আদান-প্রদানই নয়, দুই বাংলার মধ্যে সংস্কৃতির অন্যান্য উপাদানও যেমন সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য প্রভৃতি আদান-প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘এ দেওয়া-নেওয়ার মাধ্যমে আমরা দুই বাংলার সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ, সুদৃঢ় ও বিকশিত করতে পারি।’
প্রসঙ্গত, বাঙালি সংস্কৃতির শেকড় সন্ধান এবং সব ধারার সংস্কৃতিকর্মীদের যুথবদ্ধতা সৃজনের সঙ্গে সংস্কৃতি পিপাসু মানুষের মেলবন্ধন গড়ে তুলতে এ উৎসব আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবে ভারত-বাংলাদেশের ৯৩টি দল নাটক, সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য, পথনাটক ও মূকাভিনয়ে অংশগ্রহণ করবে। খবর বাসস।