শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকায় প্রাপ্ত এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, বাংলাদেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে জাপানের অবদান অনস্বীকার্য।
মেলায় জাপান প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্রমধারা বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নদর্শন ও উন্নয়ন কৌশল এবং তার নীতি, আদর্শ ও কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নত আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠায় কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।’
এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী এবং এশিয়ায় সর্ববৃহৎ রফতানি বাজার। বাংলাদেশে চলমান বেশিরভাগ বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প জাপানি অর্থায়ন ও সহযোগিতার মাধ্যমে হচ্ছে।
রাবাব ফাতিমা দু’দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জাপান প্রবাসী নাগরিকদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্দীপ্ত হয়ে দেশের উন্নয়নে অধিকতর অবদান রাখার আহ্বান জানান। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ ও টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে রাষ্ট্রদূত প্রবাসী সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নের উপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও বিশ্লেষণধর্মী উপস্থাপনা করা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন খাতভিত্তিক উন্নয়ন তুলে ধরা হয়। পরে বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় দেশের উন্নয়ন তথ্য সংবলিত বিভিন্ন পুস্তিকা, তথ্য কণিকা ও প্রচার সামগ্রী অতিথিদের মাঝে বিতরণ করা হয়। খবর বাসস।