ড. শিরীন শারমিন বলেন, ‘দরিদ্র, প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের কার্যকর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বাণিজ্য নীতি তৈরি করতে হবে, যেন ন্যায্য মজুরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিশ্চিত হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য অবাধ বাণিজ্য জরুরি। যার মাধ্যমে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো উপকৃত হবে। পরিবর্তনের সুবিধা দরিদ্র জনগোষ্ঠী ভোগ করতে পারবে।’
স্পিকার বলেন, ‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসডিজি’র ক্ষেত্রেও এ সব উপাদান কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
স্টান্ডিং কমিটি ব্যুরো’র সদস্য মিজ সিলভিয়া ডিনিকা ডিবেটে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, মো. আব্দুল কুদ্দুস এমপি, এ বি তাজুল ইসলাম এমপি, মমতাজ বেগম এমপি, কে এইচ আজিজুল হক এমপি, আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, মোহাম্মদ আব্দুল মুনিম চৌধুরী এমপি ও শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি।