গত ২১ অক্টোবর বিলটি সংসদে উত্থাপনের পর পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। এর আগে ২৮ মে মন্ত্রিসভায় আইনটির অনুমোদন হয়।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ও মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুসারে ১৯৮৫ সালের স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন অধ্যাদেশটি সংশোধন, পুনর্মাজন ও যুগোপযোগী করতে এই নতুন আইনটি আনা হয়।
প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে দেশে একটি আদর্শ গুণগতমান সংস্কৃতির বিস্তৃতি ঘটানো সম্ভব হবে বলে আইনটির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী আমির হোসেন উল্লেখ করেন।
এই বিলের মাধ্যমে বাংলাদেশের উৎপাদিত পণ্য দেশি ও বিদেশি বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী সামগ্রিকভাবে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যাবে। শিল্পপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কঠোরভাবে মেনে চলার উৎসাহ প্রদান করা যাবে। বাংলাদেশি পণ্য ও সেবার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রত্যয়ন প্রাপ্তি সহজতর হবে। আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রেও আর্দশমান বজায় রাখার পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।
বিলে একটি ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, যার প্রধান কার্যালয় হবে ঢাকায়।
পাস হওয়া বিলে লাইসেন্স ব্যতিরেকে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, ইনস্টিটিউশনে সদৃশ্য কোনও মার্ক বা ট্রেড মার্ক ব্যবহার করা যাবে না। এসব অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদাণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানাসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া, আইনের স্ট্যান্ডার্স অনুসরণ না করে পণ্য বিক্রয়, বিতরণ, বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রদান করলে সর্বোচ্চ চার বছরের সাজা ও দুই লাখ টাকা জরিমান বিধান রয়েছে।
এই আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিধান রয়েছে।