শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭৫ সালে জাতির পিতা হত্যাকাণ্ডের পর দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ ব্যাহত হয়েছিল। এরপর দেশে দীর্ঘ সময় সামরিক শাসন বলবৎ ছিল। সে সময়কার সামরিক শাসকেরা যুব সমাজের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করেছিল। আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে সফল করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি।’
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তারা এই উন্নয়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান। প্রধানমন্ত্রী এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের তার সরকারের নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন সম্পর্কে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিমাসেই শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মায়েদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। এছাড়াও প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের শতকরা ৬০ ভাগ নারীদের থেকে নিয়োগ করা হচ্ছে।’
সন্ত্রাসের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার শক্তহাতে এই সমাজিক ব্যাধিকে দমন করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি বলেন, তার সরকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণ যেমন- শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ধর্মীয় নেতাদের এবং জনপ্রতিনিধিদের সমম্বয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। তার সরকার জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো বিশেষ করে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এবং চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করতে কঠোর পরিশ্রম করছে। খবর: বাসস।