প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬টি সংসদীয় আসনে সম্পূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা হবে। সিটি করপোরেশন এবং জেলা সদর সংশ্লিষ্ট ৪৮ আসনের মধ্যে থেকে দৈবচয়নের মাধ্যমে ওই ৬টি আসন নির্ধারণ করা হবে। সোমবার বিকেল ৫টায় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দৈবচয়ন অনুষ্ঠিত হবে।’
নির্বাচন কমিশনের ইভিএম-এর তালিকায় থাকা আসনগুলো হচ্ছে, ঠাকুরগাঁও-১, দিনাজপুর-৩, নীলফামারী-২, লালমনিরহাট-৩, রংপুর-৩, গাইবান্ধা-২, বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, নওগাঁ-৫, রাজশাহী-২, পাবনা-৫, কুষ্টিয়া-৩, খুলনা-২, খুলনা-৩, সাতক্ষীরা-২, ভোলা-১, বরিশাল-৫, টাঙ্গাইল-৫, জামালপুর-৫, শেরপুর-১, ময়মনসিংহ-৪, ঢাকা-৪, ঢাকা-৫, ঢাকা-৬, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১১, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৮, গাজীপুর-২, নরসিংদী-১, নরসিংদী-২, নারায়ণগঞ্জ-৪, নারায়ণগঞ্জ-৫, ফরিদপুর-৩, মাদারীপুর-১, সিলেট-১, কুমিল্লা-৬, ফেনী-২, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১০, চট্টগ্রাম-১১।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শনিবারের কমিশন বৈঠকে ৪৮টি আসনে আংশিকভাবে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তাব তোলা হয়। কিন্তু এতে জোরালো আপত্তি তোলেন সিইসি কে এম নূরুল হুদা। তিনি এক থেকে দুটি আসনে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দেন। পরে কমিশনার রফিকুল ইসলাম দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তাব দেন। পরে আলোচনা পর্যালোচনা করে ৬টি আসনে পূর্ণাঙ্গভাবে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়।