মেনন বলেন, ‘সামনে নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবে নাকি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে। যদিও আমরা জানি তাদের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার ক্ষমতা নেই। কিন্তু এটা মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট গঠন করার মধ্য দিয়ে বিএনপি ধর্মনিরপেক্ষতাকে স্বাগত জানিয়েছে।’
বিজয়ের মাস শুরু হলেই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি রাজনীতিতে জায়েজ হয়ে যায় দাবি করে মেনন বলেন, ‘আপনারা খেয়াল করেছেন জামায়াতকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বারবার একটি যুদ্ধাপরাধীদের সংগঠন উল্লেখ করে নিবন্ধন বাতিলের কথা বললেও এখন দলটি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনের মাঠে নামছে।’
বিজয়ের মাসে ষড়যন্ত্র থেমে নেই মন্তব্য করে মেনন বলেন, ‘ড.কামাল হোসেন এতদিন বলে আসছিলেন, জামায়াত থাকলে তারা কোনও ঐক্যে যাবেন না। আসলে বিএনপি কামাল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াতের দাড়িপাল্লায় ধানের শীষ তুলে দিয়েছে। দাড়িপাল্লার সঙ্গে ধানের শীষ আগেও যুক্ত ছিল। কিন্তু যখন ড. কামাল, কাদের সিদ্দিকী, আ. স. ম আব্দুর রব, মান্নারা সেই ধানের শীষ প্রতীকে দাঁড়িপাল্লার সঙ্গে এক হন, তখন সব একাকার হয়ে যায়। এই বিজয়ের মাসে আমাদের বুঝতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এখনও থামে নেই।’