শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় নানামুখী সংস্কার করছে। উন্নত বিশ্বের মতো শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা তৈরি করা হচ্ছে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় কিছু বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীর নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিক মূল্যায়নের কাজটি করে। ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হওয়ায় এ বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় বোর্ডের ফল প্রক্রিয়াকরণে চতুর্থ বিষয় বিবেচনা করা হয়নি। এ কারণে গত বছরের তুলনায় এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।’
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় এবছর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২৮ হাজার ১৯০ জন, গতবছর যা ছিল ৮০ হাজার ৮৯৮ জন। এবছর মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫২ হাজার ৭০৯ জন।
জেএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৬৬ হাজার ১০৮ জন (সকল বিষয়ে), গত বছর ছিল ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ জন (৪র্থ বিষয়সহ)। এবছর কমেছে ১ লাখ ১৮ হাজার ২৮৯ জন। চতুর্থ বিষয় না থাকায় এবার জিপিএ-৫ কমেছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
জেডিসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯৮৭ জন (সকল বিষয়ে), গত বছর ছিল ৭ হাজার ২৩১ জন (চতুর্থ বিষয়সহ)। এবার কমেছে ৫ হাজার ২৪৪ জন ।