ব্রিফিংয়ে চার জন পর্যবেক্ষক প্রশ্ন করেন। এরমধ্যে দু’টি ছিল ইভিএম বিষয়ক। এ সময় পর্যবেক্ষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক ও নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ।
ওআইসি থেকে আসা একজন পর্যবেক্ষক জানতে চান, যেসব জায়গায় ইভিএমে নির্বাচন হচ্ছে না, সেসব জায়গায় কীভাবে ভোট হচ্ছে? জবাবে নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, প্রথাগত স্ট্যাম পদ্ধতিতে সেখানে ভোটিং হবে।
মালদ্বীপের নির্বাচন কমিশনের একজন সদস্য ও পর্যবেক্ষক জানতে চান ইভিএমের মাধ্যমে যেসব জায়গায় ভোট হবে, সেসব আসনের ভোটাররা এ বিষয়ে অবহিত কিনা। জবাবে হেলালুদ্দিন বলেন, ‘আমরা ছয়টি আসনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট নিচ্ছি। ভোটাররাও এ বিষয়ে ওয়াকিবহাল।’
কানাডার পর্যবেক্ষকের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, দেশে ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে।
ভারত থেকে আগত পর্যবেক্ষক সংখ্যালঘু অধ্যুষিত কেন্দ্র ও গ্রামের একটি কেন্দ্র পরিদর্শন করতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘সোনারগাঁও হোটেলে অবস্থিত পর্যবেক্ষক সেন্টার। তবে তিনি চাইলে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পর্যবেক্ষদের উদ্দেশে ইসি সচিব জানান, তাদের নিরাপত্তা ও গাড়ির ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া আজ রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা তাদের সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছেন।
এদিকে, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের জন্য হোটেলে পৃথক দু’টি মিডিয়া সেন্টার খোলা হয়েছে। এই সেন্টারগুলোয় তারা ২৪ ঘণ্টা সুবিধা পাবেন। এই সুবিধা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে।
আগামীকাল নির্বাচনের জন্য নয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও ১২টি বিদেশি মিশনের ১৮৮ জন বিদেশি পর্যবেক্ষককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য নিবন্ধন করা হয়েছে।
সংস্থাগুলোর মধ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ, ওআইসি, ফোরাম অব ইলেকশন কমিশন ম্যানাজমেন্ট অব সাউথ এশিয়া, ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট, ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেমস, ডেমোক্র্যাসি ইন্টারন্যাশনাল, দ্বিপেন্দ্র ক্যান্ডেল ইনিটিয়েটিভ ও সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন রয়েছে।
এছাড়া, অস্ট্রেলিয়া, ভুটান, কানাডা, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নাইজেরিয়া, নেপাল, শ্রীলংকা, প্যালেস্টাইন, ফিলিপাইন্সসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে পর্যবেক্ষক আসার কথা রয়েছে।