মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। বিষয়টা এখন সবারই জানা। ওই নারী দোষ তিনি নৌকা মার্কায় ভোট দেননি। নিজের ভোট নিজেই দিয়েছেন। কিন্তু ভোটটি নৌকা মার্কা না দিয়ে কেন ‘যাকে খুশি, তাকে দিলেন’। অথচ এটি তার গণতান্ত্রিক অধিকার। এ দেশের প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিরোধী দলের নেত্রী এবং স্পিকার একজন নারী। এরপরেও নারী নির্যাতন, নিপীড়ন, ধর্ষণ, যৌন হয়রানি কি কমেছে নাকি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, এই পবিত্র জমিনে থেকে এক একটি ধর্ষণ, একটি কলঙ্ক রচনা করে। বিষয়টি আমরা হয়তো ভুলেই গিয়েছি। কিন্তু সেই পবিত্র মাটির প্রতিটি ধূলিকণা সব মনে রেখেছে। মনে রেখেছে ধর্ষিতা প্রতিটি নারীর বুকফাটা অসহায় আর্তনাদকেও। আমরা চাই না এরকম দুঃস্বপ্ন আরও কোনও মা দেখুক। চাই না কোনও বোনের সঙ্গে ঘটতে থাকুক এসব। এসব কাপুরুষ অমানুষদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে আমরা মানববন্ধন করতে এসেছি। আর একটা নারী ও যেন ধর্ষণ, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার না হন।
মানববন্ধনে সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন শরাফত শরীফ, ইখলাস আল ফাহিম, কে এম ইমরান হোসাইন ও রিয়াদ বিন সাঈদ প্রমুখ।